টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা, গ্রেফতার ৩, মানববন্ধনে দোষীদের শাস্তি দাবি

Print Friendly, PDF & Email

এসএম সবুজ, মধুপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর বিনিময় পরিবহণের একটি চলন্তবাসে এক গার্মেন্টস কন্যা গণধর্ষণের ঘটনায় ধনবাড়ী থানায় মামলা হয়েছে।

শুক্রবার (১এপ্রিল) মধ্যরাতে রাতে ধর্ষিতার স্বামী বখতিয়ার মিয়া বাদী হয়ে ধর্ষক তিনজন ও সহায়তাকারি হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক নেতাসহ নয় জনকে আসামী করে এ মামলা করেছেন।

ধনবাড়ী থানার তদন্ত কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ হাসান মোস্তফা  মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত বাসের চালকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলা সদরের জয়নাল আবেদীনের ছেলে চালক হাবিবুবুর রহমান নয়ন (২৮), ধনবাড়ী নিজবর্ণির মোতালেব হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম  জুয়েল(৩২)দয়ারাম বাড়ীর আরশেদ আলীর ছেলে আব্দুল খালেক ভুট্রো(২৩)। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ধনবাড়ী থানার তদন্ত কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ হাসান মোস্তফার সাথে মোবাইলে বার বার চেষ্টা করেও অপর ৬ আসামী জেলা শ্রমিক নেতাদের নাম জানা যায়নি।

এদিকে এ ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের ফেইসবুক এক্টিভিস্টদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।  কুমিল্লা’র তনু হত্যার প্রতিবাদে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে নেতৃবৃন্দ এ প্রতিবাদ করেন। শনিবার বেলা ১১ টার দিকে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তাগণ বক্তৃতায় তনু ধর্ষণ ও  হত্যার ঘটনায় জড়িতদের পাশাপাশি চলন্ত বিনিময় বাসে গণধর্ষণে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক দাবি করেছেন।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মজিবর রহমান জানান, ধর্ষিত নারীর বাবার বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায়। স্বামীর বাড়ি টাঙ্গাাইলের নাগরপুরে। তিনি চাকরি করেন গাজীপুরের কালিয়াকৈর এক গার্মেন্টেসে। পরিবহণ শ্রমিকের স্ত্রী ওই নারী(২৩)  শুক্রবার (১ এপ্রিল) ধনবাড়ী এক আত্মীয় বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরার পথে ধনবাড়ীর বিনিময় সার্ভিসের একটি যাত্রীবাহী বাসের( নং ১৯৫৬) যাত্রী হন। এক পর্যায়ে একমাত্র যাত্রী হয়ে  ওই বাসের চালক ও সহকারিদের দ্বারা গধর্ষণের শিকার হন ওই গার্মেন্টস কন্যা।

Comments

comments