ঢাকা রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮

Mountain View



মন্ত্রীর ঘোষণার এক বছর পেরিয়ে, সখীপুরে উপ-কারাগারটিকে “সেফহোম” করার বাস্তবায়ন হয়নি

Print Friendly, PDF & Email

ইসমাইল হোসেন। সখীপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : সখীপুর উপজেলার পরিত্যক্ত  উপ-কারাগারটিকে শিশু ও কিশোর- কিশোরীদের ‘নিরাপদ আবাসন উন্নয়ন কেন্দ্র’ (সেফহোম) করার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর দেয়া ঘোষণার এক বছর পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। গত বছরের জুনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ওই উপ-কারাগারটি পরিদর্শন করে সখীপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দ্রুত সংস্কার প্রাক্কলন প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু মন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতির এক বছর পেরিয়ে গেলেও উপ কারাগারটিকে “সেফহোম” করার কাজের কোন অগ্রগতি হয়নি।

sakhipur map

জানা যায়, তিন দশক আগে নির্মিত ১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে এরশাদ সরকারের শাসনামলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই দশমিক ২৩ একর জমির ওপর এক কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫ কয়েদি বিশিষ্ট উপ-কারাগারের ভবন নির্মাণ করা হয়। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পরিবর্তন হলে আর কারাগারটি ব্যবহার হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত এবং কারাগারের সীমানা প্রাচীর না থাকায় অধিকাংশ জমিই অন্যের দখলে চলে গেছে। কারাগারের অফিস কক্ষটি ব্যবহূত হচ্ছে কিন্ডারগার্টেনের অফিস কক্ষ হিসেবে। সহকারী জেল সুপারের জন্য নির্মিত আবাসিক ভবনটির একাংশে মাইক্রোবাস শ্রমিক সমিতি, বাকি অংশে স্থানীয় যুবকেরা একটি ক্লাব গড়ে তুলেছে। অন্যদিকে মাঠের একাংশে বাজার ও বাকি অংশে মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড গড়ে  তোলা হয়েছে। কারাগারের দেয়াল ও ভবনের পলেস্তরা খসে পড়ছে। মরিচায় নষ্ট হয়ে গেছে লোহার গেট। ভেঙে পড়ছে দরজা-জানালা। ইলেকট্রনিক্স ও পানির  ট্যাঙ্কসহ চুরি হয়ে গেছে উপ-কারাগারের মূল্যবান অনেক যন্ত্রপাতি।

মাইক্রোবাস শ্রমিক সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নান বলেন, ‘মাঠটি দখল করিনি, পরিত্যক্ত পড়ে থাকায় অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করছি।’ সখীপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন ভুঁইয়া বলেন, মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট  দপ্তরে সংস্কার প্রাক্কলন প্রস্তুত করে পাঠানো হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য