ঢাকা মঙ্গলবার, নভেম্বর ২০, ২০১৮

Mountain View



সখীপুরে শিশু সন্তানসহ মহিলাকে থানায় আটকে হয়রানির অভিযোগ

Print Friendly, PDF & Email

আমানত হোসাইন মাসুম, সখীপুরপ্রতিনিধি: পুলিশের বিরুদ্ধে শিশু সন্তানসহ এক মহিলাকে থানায় আটকে রেখে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ওই মহিলা মঙ্গলবার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বেড়বাড়ী নামাপাড়া গ্রামে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ী গ্রামের মৃত. ওসমনা শিকদারের ছেলে রুবেল (৪০), জুয়েল (৩২) ও রাজ্জাক (৩০) এ এর সঙ্গে একই গ্রামের পল্লী চিকিৎসক কিশোর কুমারের সাথে বেশ কিছুদিন ধরে বিক্রি করা জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

গত ১০ জানুয়ারী বিরোধপূর্ণ ওই জমি সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দু’পক্ষ ও স্থানীয় মাতাব্বরদের সমন্বয়ে বেড়বাড়ী বাজারে শালিসী বৈঠক বসে। সে বৈঠকে দু’পরে লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই পল্লী চিকিৎসক কিশোর কুমার সখীপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন, দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে থানায় রুবেল, জুয়েল ও রাজ্জাকের নামে মামলা করলে সখীপুর থানার এসআই ওমর ফারুকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গত ১১ জানুয়ারী মামলায় অভিযুক্ত জুয়েলের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার স্ত্রী নাছিমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে শিশু সন্তান নাজিল (৩) সহ নাছিমাকে থানায় নিয়ে আসে।

নাছিমা অভিযোগ করে বলেন, আমি তো মামলার আসামী নই, বিনা কারণে আমাকে এক রাত এক দিন থানায় আটকে রাখে পুলিশ। আমার সন্তান পুলিশ দেখে ভয় পেলেও তারা আমাকে থানায় নিয়ে যায়। সন্তানের মাঝে এখনো পুলিশি ভয়ের আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরের দিন স্থানীয় ইউপি সদস্য আমাকে ছাড়িয়ে নেয়। কিশোর কুমার নিজে জেতার জন্য মিথ্যা মামলা সাজিয়েছেন। প্রকৃতপে মারধোর, ভাংচুর ও লুটপাটের কোন ঘটনা ঘটেনি। ওই জমি নিয়ে একাধিকবার শালিসী বৈঠক হয়েছে। ওই দিনই শালিসী বৈঠক হয়। পুলিশ অযথা আমাকে হয়রানি করতেছে।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, মামলার প্রয়োজনে ওই মহিলাকে থানায় আনা হয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ভোলা মিয়া বলেন, ওই মহিলাকে থানা থেকে আমার জিম্মায় ছাড়িয়ে এনেছি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার বজলুর রহমান বাবুল বলেন, ওই মহিলা কোন দোষী নয়, সে মামলারও আসামী নয়।

 

ফেসবুক মন্তব্য