ঢাকা রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮

Mountain View



মির্জাপুরে সংঘর্ষে সাবেক এমপি ও ওসিসহ আহত ৪০

Print Friendly, PDF & Email
নিজস্ব সংবাদদাতা : বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা দ্বিতীয় দফা অবরোধের শেষ দিন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবরোধকারী ও পুলিশের সংঘর্ষে সাবেক এমপি, সাংবাদিক ও পুলিশসহ ৪০ জন আহত হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ ২৫/৩০ রাউন্ড টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। পুলিশ তিন পিকেটারকে আটক করেছে। আহতদের মির্জাপুর কুমুদিনী, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ও ঢাকা পাঠানো হয়েছে। 
আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ২টায় উপজেলা বিএনপি ঝাড়ুমিছিল বের করলে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ১০জনের অবস্থা আশংকা জনক।
এলাকাবাসী ও প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, সাবেক এমপি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর নের্তৃত্বে অবরোধের পক্ষে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ঝাড়– মিছিল বের করে।  মিছিল উপজেলা চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাসের উপর অবস্থান নেয়। সেখানে বসে মহাসড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করতে থাকে। 
পুলিশ তাদের উঠে যেতে বললে পুলিশের সাথে অবরোধকারীদের সংঘর্ষ বাধে। প্রায় এক ঘন্টা ব্যাপি থেমে থেমে চলতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ গুলি, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেন। মুহুত্বের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পরলে উপজেলার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী,পৌর কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা আলী আযম সিদ্দিকী, সাবেক এজিএস ডিএম ফরিদ,বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার মৃধা নজরুল ইসলাম, শাহআলম,পৌর বিএনপির সভাপতি হযরত আলী, সাধারণ সম্পাদক জুলহাস উদ্দিনসহ ৩২ জন আহত হয়। ঘটনার ছবি তুলতে গেলে মোহনা টেলিভিশন ও দৈনিক ইত্তেফাকের মির্জাপুর প্রতিনিধি মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল,মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাসহ ৮ জন আহত হয়। এ ঘটনার পর উত্তেজিত অবরোধকারীরা মহাসড়কে উপর টায়ারে অগ্নি সংযোগ করে। এসময় তারা ৭/৮টি যানবাহন ভাংচুর করে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, সরকারী কাজে বাঁধা দেওয়া ও পুলিশের উপর হামলার প্রতিবাদে থানায় মামলা হচ্ছে।

ফেসবুক মন্তব্য