ঢাকা বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৮

Mountain View



চুমু চমৎকার !

Print Friendly, PDF & Email
ডেস্ক রিপোর্ট : ‘যে লোক সুন্দরী তরুণীকে চুমু খেতে খেতে গাড়ি চালাতে পারে সে আসলে চুমুটার প্রতি মনযোগী নয়।’ কথাটা কোনো লেখক-কবি কিংবা নায়ক-নায়িকার মুখে শোনালে মানা যেত, কিন্তু অমোঘ এ বাণী উচ্চারিত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে খটমটে বিষয়ের বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মুখ দিয়ে!

বিজ্ঞানী মশাই ভেবেচিন্তে দেখেছেন, মনযোগী হলে ওই চুমুর প্রতিই হওয়া উচিৎ, গাড়ির প্রতি নয়! আইনস্টাইন যে প্রেমিক পুরুষ ছিলেন তা জানা কথা, তবে কথাটা ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সময়ে সময়ে চুমুর প্রতি মনযোগী হওয়াটা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। কেন? নিম্নে ৬টি কারণ দর্শানো হইলো-
ছবি : অনলাইন
  • চুমু যখন আঠা : প্রেমের সম্পর্কে চুমু রীতিমতো আঠা হিসেবে কাজ করে। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে। প্রতিটি চুমুতে শরীরে নিঃসৃত হয় বিশ্বাস ও আস্থা বৃদ্ধির হরমোন অক্সিটসিন। আর বিশ্বাসই তো সম্পর্কের সিমেন্ট।
  • রোগ সারাতে : চুমুর জৈবিক আদান প্রদানে বেড়ে যায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভাইরাসের বংশবৃদ্ধিও ব্যহত হয়। তবে এক্ষেত্রে চুমুটা যদি হয় দৈহিক মিলনের অনুষঙ্গ, তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে দ্বিগুণ গতিতে।
  • সুখের সূত্র : চুমু খেলে এনডোফিন ও এনডোরফিনস নামে দুটো আলাদা হরমোন একইসঙ্গে ছড়িয়ে যায় শরীরময়। দুটো সুখানুভূতির হরমোন। বিষণ্নতা কাটাতে তাই মনোবিজ্ঞানীর চেম্বারে ছোটার আগে চুমু খেয়ে দেখুন।
  • ব্যথানাশক : চুমু মানেই হরমোনের খেলা। আবেগঘন চুমুতে নিঃসরণ ঘটবে অ্যাড্রিনালিনের। পেইনকিলার হিসেবে যার জুড়ি নেই। মাথাব্যথা থাকা অবস্থায় যারা চুমু খেয়েছেন তাদের অনেকেই বলেছেন, চুমুই হতে পারে আসল প্যারাসিটামল।
  • চাপ কমাতে : দিন শেষে নিজেকে ক্লান্ত বিধ্বস্ত মনে হলে এর জন্য দায়ী করুন চাপের হরমোন করটিসলকে। তবে চুমু খেলেই ফের চাঙ্গা। কেননা, চুমুর ফলে কমে আসে করটিসলের মাত্রা।
  • কমাবে ওজন : ওজন কমাতে ক্যলোরি পোড়াতে হবে বেশি বেশি। এখানেও চুমুর চমৎকারিত্ব দৃশ্যমান! ব্যয়াম করার সময় শ্বসনের গতি বাড়ে, আর চুম্বনের সময় সেটার গতি বাড়ে দ্বিগুণ! আবার মুখের ব্যায়ামও করিয়ে ছাড়ে এই চুমু। যাতে টিকে থাকে চেহারার তারুণ্য।
তো, নিজের প্রিয়জনকে চুমু খেতে যারা অজুহাত হাতড়ে বেড়াচ্ছেন, তাদের নিশ্চয়ই আর মাথাকুটে মরতে হবে না।
সুত্র :  বাংলাভাষায় প্রথম ও একমাত্র ফেইসবুকভিত্তিক স্বাস্থ্যপত্রিকা::দেহ::. জীবনের ঠিকানা।

ফেসবুক মন্তব্য