ঢাকা শুক্রবার, মে ২৪, ২০১৯

Mountain View



বান্ধবীসহ ধাওয়া খেলেন অমিত হাসান!

Print Friendly, PDF & Email
স্টাফ রিপোর্টার: বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের সামনে জনতার ধাওয়া খেয়েছেন চিত্রনায়ক অমিত হাসান। উপস্থিত সাংবাদিক, শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত জনতার সাথে অসদাচরণ করার জন্য ধাওয়া খেয়ে তিনি একরকম পালিয়ে যান।

শুক্রবার দুপুরে অমিত হাসানের কাছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের এক কর্মকর্তার চার মাসের সন্তান তাহসিনের চিকিৎসার জন্য সহায়তা চান। বাংলা সিনেমার এ নায়ক বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও উপস্থিত কয়েকজন সাংবাদিককে কটাক্ষ করেন। নায়কের এমন আচরণে অবাক হয়ে যান আশেপাশে উৎসুক জনতা। এরপরই জনতা তাকে ধাওয়া করেন।পরিস্থিতি সামাল দিতে কোনো রকমে বান্ধবীকে পালিয়ে বাঁচেন অমিত হাসান। 

জনতা এবং শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে অমিত বলেন, “সাহায্যের নামে ব্যবসা করছিস! আমি বাংলাদেশের বড় বড় সাংবাদিকদের পকেটে রাখি আর তোরা তো সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী।” শিক্ষার্থীরা জানান, তাহসিনের চিকিৎসার জন্য সকাল থেকেই মার্কেটের গেটে দাড়িয়ে সাধারণ মানুষের কাছে থেকে অর্থ সহায়তা চাচ্ছিলেন তারা। দুপুর ২ টার দিকে শপিং মলের মেইন গেট দিয়ে বের হচ্ছিলেন চিত্রনায়ক অমিত হাসান। এ সময় এক শিক্ষার্থী অমিত হাসানকে দেখে উচ্ছাস প্রকাশ করে অর্থ সহায়তা চাইলে অমিতের সঙ্গে আসা এক নারী সেই শিক্ষার্থীকে হঠাৎই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীর কার্ড দেখালেও রেহাই পায়নি শিক্ষার্থীরা। 

সাংবাদিকতা বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্রী তাজরিন অভিযোগ করেন, “বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে অমিত হাসান নিজেও তাকে এবং সঙ্গে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হন।বেশ কয়েকবার সাংবাদিকদের দেখে নেয়ারও হুমকি দেন তিনি।” এসময় বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ এবং উপস্থিত জনতাও অমিত হাসানের আচরণের ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করলে বান্ধবীসহ দ্রুত পালিয়ে যান অমিত। 

সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীরা ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন, বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মীর মোশাররফ হোসেন, দৈনিক জনকন্ঠের রিপোর্টার আরিফ হোসেন, দেশ টিভির স্টাফ রিপোর্টার আখলাকুস সাফা, দৈনিক যুগান্তরের কন্ট্রিবিউটিং রিপোর্টার আনিসুর সুমন ও শাওয়াল নবী উজ্জল, দৈনিক ইত্তেফাকের রিপোর্টার জুবায়ের আব্দুল্লাহ, বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের নিউজ রুম এডিটর হুসাইন আজাদ, বার্তা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের বার্তা সম্পাদক শফিউল আলম রনি, দৈনিক প্রথম আলোর জবি প্রতিনিধি মূসা আহমেদ, দৈনিক সমকালের কন্ট্রিবিউটিং রিপোর্টার তৌহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাংবাদিকতার শিক্ষকগন। 

এ ব্যাপারে অমিত হাসানের বক্তব্যের জন্য তার সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

ফেসবুক মন্তব্য