ঢাকা শনিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮

Mountain View



নাগরপুরে আ’লীগের দুই গ্রপের সংঘর্ষঃ পুলিশ, সাংবাদিকসহ আহত ২৫

Print Friendly, PDF & Email

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল নাগরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রপের সংঘর্ষে ৫ পুলিশ সহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলা বাস স্ট্যান্ডে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তরুন আওয়ামী লীগ নেতা উইলিয়াম ও বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কুদরত আলীর সাথে উপজেলায় তাদের দলীয় কার্যালয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের দুই গ্রপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষ চলাকালে কুদরত আলীর ক্যাডার বাহিনীরা আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুর করে। এসময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শাহীন লাইব্রেরীতে আশ্রয় নেয়। পরে সেখানে গিয়ে কুদরত আলীর ক্যাডার বাহিনীরা হামলা চালিয়ে লাইব্রেরী ভাংচুর করে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক আকতারুজ্জামান বকুল, নাগরপুর সরকারি কলেজের ভিপি মামুন ও পুলিশ সদস্যসহ ২৫ জন আহত হন। হামলায় বকুলের মাথা ফেটে যায়। তাকে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম টাঙ্গাইল বার্তাকে বলেন, আমরা পার্টি অফিসে বসে কথা বলছিলাম। এ সময় নাগরপুর সদর উইনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত আলি এসে অতর্কিত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাকে হত্যা করার জন্য এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে নাগরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কুদরত আলী  টাঙ্গাইল বার্তাকে বলেন, হামলার ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো লোক জড়িত নেই। জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম উল্টো সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়দা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে

ফেসবুক মন্তব্য