ঢাকা রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮

Mountain View



চতুর্থ দফায় টাঙ্গাইলের চারটি উপজেলায় নির্বাচন কাল, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে দুই দলের

Print Friendly, PDF & Email

আবীর দে, নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামীকাল চতুর্থ দফায় ৪৩ জেলার ৯১ উপজেলায় নির্বাচন। এর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলার চারটি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জেলার মধুপুর , কালিহাতী, ভুঞাপুর,ও নাগরপুর উপজেলায়  সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দিনভর ভোটগ্রহণ চলবে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী চারটি উপজেলার মধুপুর, কালিহাতী ও ভূঞাপুর এই তিনটি উপজেলার ভোটকেন্দ্রগুলো অধিক ঝুকিপূর্ণ।

 স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচন মূলত দলীয় নির্বাচনে রূপ নিয়েছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর বাইরে বিভিন্ন দলের প্রচুরসংখ্যক বিদ্রোহী প্রার্থীও লড়ছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীদের দমাতে দল থেকে বহিষ্কারসহ নানা উদ্যোগে তেমন সাফল্য আসেনি। অপরদিকে দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে কাজ করছেন নেতাকর্মীরা। ক্ষমতার প্রদর্শনসহ নানান কৌশল অবলম্বন করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। চতুর্থ দফায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোট গ্রহণ নিয়ে অনেক উপজেলায় বিরোধীদলীয় প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে আতংক রয়েছে।

মধুুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা  করছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু (দোয়াত কলম) ও বিএনপি মনোনীত উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সরকার (মোটরসাইকেল)। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত হেলাল উদ্দিন (চশমা), জামায়াতের মাওলানা বোরহানুল ইসলাম (টিউবওয়েল), জাতীয় পার্টি মনোনিত মতিয়ার রহমান (টিয়া পাখি) এবং কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আ.খ.ম শহিদুল ইসলাম (তালা)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আদিবাসী নারী নেত্রী যষ্ঠিনা নকরেক (কলসি), বিএনপি মনোনিত মর্জিনা বেগম (ফুটবল), স্বতন্ত্র সানোয়ারা আক্তার সানি (পদ্মফুল) ও নাজমা বেগম (হাঁস) প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তারা নিজেদের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন। নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় ভোটারদের দিচ্ছেন নানা রকম প্রতিশ্রুতি।

এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনিত ছরোয়ার আলম খান আবু (দোয়াত কলম) এর বিদ্রোহী প্রতিদ্বন্দ্বী ডাঃ মীর ফরহাদুল আলম মণি (আনারস) তার প্রার্থীতা পদ প্রত্যাহার করে নেয়ায় এখন তিনি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।  দৈনিক ডেসটিনি

এ উপজেলা নির্বাচনে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪শ’ ৫৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এ উপজেলায় মোট ৭৩টি ভোট কেন্দ্রের সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ন। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ন ৩৮টি এবং সাধারণ ঝুকিপূর্ন ৩৫টি। এ উপজেলায় নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।

কালিহাতী  উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: ১৩ টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত কালিহাতী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬জন এবং সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন সহ মোট ১৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ উপজেলায় আ’লীগ সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও দক্ষ সংগঠক মোজহারুল ইসলাম তালুকদার(মোটর সাইকেল), বর্তমান চেয়ারম্যান ও অপর বিদ্রোহী প্রার্থী টাঙ্গাইল জেলা তাঁতী লীগের আহ্বায়ক সোলায়মান হাসান (ঘোড়া)। অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম তালুকদার (কাপপিরিচ), বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শুকুর মাহমুদ (চিংড়ি) ও অপর বিদ্রোহী প্রার্থী ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়র ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ এসএমএ খালিদ (আনারস) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী(দোয়াত-কলম) সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং মনোনয়নপত্র প্রতদ্যাহারের তারিখ শেষ হওয়ায় তাঁর প্রতীক দোয়াত-কলমে ভোট না দেয়ার জন্য উপজেলাবাসীর প্রতি অনুরোধ করেছেন। এদিকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের স্বার্থ বিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে শুকুর মাহমুদকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে গত শুক্রবার। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ সমর্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মজিদ তোতা(উড়োজাহাজ), আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদ সিদ্দীকী(মাইক), বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম শোভা(চশমা), বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক হিরো(টিয়াপাখি), জাতীয় পার্টি(এরশাদ) সমর্থিত প্রার্থী কালিহাতী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মতিন(টিওবয়েল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোবারক হোসেন (তালা) এবং সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের মনোয়ারা বেগম(কলসি), আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দা সালমা খাতুন (ফুটবল) ও বিএনপির হাবিবা হোসেন (হাঁস)। তিনটি পদের বিপরীতে ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সকলেরই আগ্রহ চেয়ারম্যান পদের দিকে। এ পদে বর্তমান চেয়ারম্যান হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও তাঁর চিরায়ত অভ্যাস অনুযায়ী নিজস্ব বলয়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশের অপেক্ষার কথা বলে কব্জা করে রেখেছেন। তবে তাঁর অনুসারি নেতাকর্মীদের একটি অংশ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শুকুর মাহমুদের (চিংড়ি) পক্ষে কাজ করছেন বলে জানাগেছে। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির প্রতি তাঁর(সোহেল হাজারীর) অসন্তোষের কারনে তার সমর্থিত নেতাকর্মীরা সকলেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শুকুর মাহমুদ (চিংড়ি)-এর পক্ষে কাজ করলে আ’লীগ প্রার্থীর ভোটের ফলাফলে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বোদ্ধারা মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কারণেই এ উপজেলার মানুষ রাজনীতি সচেতন। যতই বিদ্রোহী প্রার্থী থাকুক, লড়াই হবে মূলত আ’লীগ ও বিএনপির দলীয় প্রার্থীর মধ্যে

কালিহাতী উপজেলায় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৮২৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৩ এবং মহিলা ১ লাখ ৪১ হাজার ৩৬৩ জন ভোটার রয়েছেন। আগামী ২৩ মার্চ এ উপজেলা নির্বাচনের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে বিএনপির কোন্দল না থাকায় তারা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের মনোয়নয়ন বঞ্চিত নেতারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে না নামায় নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে ধারণা করছে সাধারণ ভোটাররা। চেয়ারম্যান পদে ১৯ দলীয় জোটের সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা (মোটরসাইকেল), আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম (দেয়ালঘড়ি) ও জাতীয় প্রার্টি (এরশাদ) কেন্দ্রীয় নেতা বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক তালুকদার ছানু (আনারস) প্রতীক নিয়ে ভোট যুদ্ধে নেমেছেন। প্রকাশ্য না হলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একটি অংশ বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান শামছুল হক তালুকদারকে মহাজোটের প্রার্থী দাবি করে তাঁর হয়ে কাজ করছেন। ভোটাররা মনে করেন আওয়ামী লীগের এ অংশ শামছুল হক তালুকদারের পক্ষে কাজ করলে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থীর সঙ্গে তাঁর জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। ভূঞাপুরের জন নেতাদের মধ্যে শামছুল হক তালুকদার বয়োজ্যেষ্ঠ। এ কারণে সব দলের নেতাকর্মীরা তার প্রতি সহানুভূতিশীল। ভোটারদের ধারণা আওয়ামী লীগের ওই অংশটি কাজ করলে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর সঙ্গে তার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বর্ষীয়ান নেতা। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। এসব কারণে এখানে ত্রিমুখী হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচন হবে। ভোটাররা এবার নির্বাচনে সৎ, আদর্শবান ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেন এমন প্রার্থীকেই তাঁরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন বলে জানান। এছাড়া এখানে পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সাহিনুর ইসলাম তরফদার বাদল (টিউবওয়েল), বিএনপির হাবিবুর রহমান তরফদার ভুট্টো (উড়োজাহাজ), সালাম পারভেজ ফকির (চশমা), জামায়াতের আব্দুল্লাহ আল মামুন (মাইক), শফিকুল ইসলাম তালুকদার বাদল (টিয়াপাখি), খাইরুল ইসলাম তালুকদার বাবলু (বই) ও আতোয়ার রহমান বাবলু (তালা)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন বিএনপি প্রার্থী হোসনে আরা বেবি (কলস), আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার মুন্না (পদ্মফুল) ও স্বতন্ত্র আলিফনুর মিনি (প্রজাপতি) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উপজেলার ৬ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে নির্বাচনী এলাকা। উপজেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৮০১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৫ হাজার ২২৮ এবং মহিলা ভোটার ৬৪ হাজার ৫৭৩ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫১টি। জনকণ্ঠ

নাগরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : ৬ জন চেয়ারম্যান পদে, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যানে ১৩, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল থাকলেও চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এ্যাডভোকেট মুলতান উদ্দিন (কাপ-পিরিচ)। দলের সমর্থন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত আলী। সম্প্রতি মুলতান উদ্দিনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক জাকিরুল ইসলাম উইলিয়ামের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে কুদরত সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কুদরতের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা হয়। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। জানা গেছে, এর প্রভাব পড়তে পারে দল সমর্থিত প্রার্থী মুলতান উদ্দিনের ওপর।

নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিএনপি রয়েছে মহাবিপাকে। দলীয় মতামতের ভিত্তিতে সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ দুলালকে (ঘোড়া) সমর্থন দেয়। এর বিরোধিতা করে বিএনপির অপর গ্রুপ জেলা বিএনপির সহসভাপতি রবিউল আওয়াল লাভলু ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও এলাসিন ভাসানী কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল করিম শহীদকে (চিংড়ি) কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে মনোনয়ন এনে দেন। এ নিয়ে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নেয়। জনকণ্ঠ

ফেসবুক মন্তব্য