ঢাকা শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮

Mountain View



টাঙ্গাইলে সাড়ে সাতশ’ কোটি টাকার কর্মসৃজন কর্মসূচি শুরু

Print Friendly, PDF & Email

টাঙ্গাইলে সাড়ে সাতশ’ কোটি টাকার কর্মসৃজন কর্মসূচি শুরুমু.জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, টাঙ্গাইল : চলতি অর্থ বছরে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ওয়েজ কস্ট, নন-ওয়েজ কস্ট ও সরদার মজুরি খাতে ৭৪৬ কোটি ১৭ লাখ ৫৫ হাজার ৩৩৬ টাকা সরকারি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২২ নভেম্বর(শনিবার) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় রোববার থেকে শুরু হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যে সরকার দলীয় চাটুকার, সুবিধালোভী ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানরা কিভাবে ওই টাকা পকেটস্থ করা যায় সেলক্ষে ফাঁদ কষতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

জানাগেছে, অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় চলতি ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায়ে বাসাইল উপজেলায় ৫৯৩ জন উপকারভোগীর জন্য ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৭ টাকা, ভূঞাপুর উপজেলায় ১ হাজার ১০৭ জন উপকারভোগীর জন্য ৯৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা, দেলদুয়ার উপজেলায় ৯৫১ জন উপকারভোগীর জন্য ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ২২২ টাকা, ধনবাড়ি উপজেলায় ১ হাজার ১০৫ জন উপকারভোগীর জন্য ৯৯ লাখ ৬২ হাজার ২২২ টাকা, ঘাটাইল উপজেলায় ২ হাজার ২৬৫ জন উপকারভোগীর জন্য ২ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৫ টাকা, গোপালপুর উপজেলায় ১ হাজার ২৫৫ জন উপকারভোগীর জন্য ১ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৫৫ টাকা, কালিহাতী উপজেলায় ১ হাজার ৮১৭ জন উপকারভোগীর জন্য ১ কোটি ৬৩ লাখ ৬ হাজার ৬৬৬ টাকা, মধুপুর উপজেলায় ১ হাজার ৮৩৪ জন উপকারভোগীর জন্য ১ কোটি ৬৪ লাখ ২২ হাজার ২২২ টাকা, মির্জাপুর উপজেলায় ২ হাজার ৫৮ জন উপকারভোগীর জন্য ১ কোটি ৮৪ লাখ ২৬ হাজার ৬৬৬ টাকা, নাগরপুর উপজেলায় ১ হাজার ৯৪৩ জন উপকারভোগীর জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ ১১ হাজার ১১১ টাকা, সখীপুর উপজেলায় ১ হাজার ৩৬৫ জন উপকারভোগীর জন্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলার জন্য ২ হাজার ৮০৯ জন উপকারভোগীর জন্য ২ কোটি ৫১ লঅখ ৮৮ হাজার ৮৮৮ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর সাথে শ্রম মজুরি, নন-ওয়েজ কস্ট ও সরদার মজুরি মিলিয়ে দেয়া হয়েছে। ২২ নভেম্বর(শনিবার) থেকে আগামী ২১ জানুয়ারি-২০১৫ ইং পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অতি দরিদ্রদের জন্য সরকারি বরাদ্দের উল্লেখিত পরিমান টাকার সিংহভাগ সরকার দলীয় চাটুকার, অর্থলোভী ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানরা আত্মসাত করতে নানা ফাঁদ-ফন্দি কষছেন বলে জানাগেছে। তারা ভূয়া শ্রমিকের নামে অ্যাকাউন্ট খুলে, শ্রমিককে অনুপস্থিত রেখে উপস্থিতি দেখিয়ে, কোন কোন ক্ষেত্রে শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারিত অংকের কম দেয়ার শর্তে নিয়োগ দিয়ে দরিদ্রদের টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করছে।

এ বিষয়ে জেলা ত্রান ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম খন্দকার জানান, ইতোমধ্যে সকল উপজেলায় পরিপত্র পাঠানো হয়েছে। স্ব স্ব উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা(পিআইও) প্রকল্প দেখভাল করবেন। কোন অবস্থাতেই কোনরূপ অবহেলা বা অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবেনা।

ফেসবুক মন্তব্য