ঢাকা শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮

Mountain View



ভোট না দিতে পারার ক্ষোভ সখীপুরের ভোটারদের

Print Friendly, PDF & Email

সখীপুর প্রতিনিধি: ‘নতুন ভোটার অইছি, মনে বড় আশা আছাল এবার এমপি নির্বাচনের ভোট দিমু। কিন্তু তা আর অইল না। হুনলাম (শুনলাম) ভোট ছাড়াই নাকি এমপি অইছে। কথাগুলো আক্ষেপ করে বললেন নতুন ভোটার উপজেলার কচুয়া বাজারের ‘চা’ দোকানদার রিপন মিয়া।

গতবারের পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকার দেয়ালে দেয়ালে প্রার্থীদের পোষ্টার, ব্যানার, ফেস্টুনে ছেঁয়ে থাকত এবং মাইকিং, মিটিং-মিছিলেও পরিপূর্ণ থাকত উৎসবের আমেজ। এছাড়াও চায়ের কাপে থাকত নির্বাচনী হাওয়ার উত্তাপ। আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে না পেরে ক্ষোভের শেষ নেই ভোটারদের।

সদ্য নির্বাচিত এমপির কাছের কেউ কেউ মনে করেন, যেহেতু কৃষিবিদ শওকত মোমেন শাহজাহান গত নির্বাচনে হ্যাভি ওয়েট প্রতিদ্বন্দী বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তমকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। এছাড়াও তিনি দু’বারের এমপি এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিও ছিলেন। এ নির্বাচন থেকে তিনি বিরত থাকলে বাংলাদেশের মধ্যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারতেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত ইমেজ আরও বৃদ্ধি পেত।

স্থানীয় ভোটাররা মনে করেন, এ আসনের ভোটারদের ভোটাধিকার হরণ করায় চরমভাবে হতাশ হয়েছেন। পরবর্তীতে সংসদীয় আসনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের উপর এর একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে হয়তো বা আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কৃষিবিদ অধ্যাপক শওকত মোমেন শাহজাহান নির্বাচিত হতেন। সেই নির্বাচনে একটা আতœতৃপ্তিও থাকত আলাদা। কিন্তু এক ক্লাসে এক ছাত্র রোল নম্বর এক, আর খালি মাঠে গোল করা এতেও কোন তৃপ্তি নেই।

উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বর্তমান এমপি শওকত মোমেন শাহজাহান বিপুলভোটে পরাজিত হতেন। তিনি যেসব কর্মকান্ড এলাকায় করেছেন তাতে পাশ করার কথা নয়। নির্বাচন হলে দলের অধিকাংশ নেতা-কর্মীই তাঁর নির্র্বাচন করত না। কারন গত ৫ বছরে এমপি সাহেবের ভাই, ভাতিজা, ভাগিনা এবং প্রভাবশালী নেতা-কর্মী ছাড়া কেউ লাভবান হতে পারেনি।

ফেসবুক মন্তব্য