ঢাকা বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৫, ২০১৯

Mountain View



ভূয়াপুর থেকে শিশু অপহরণের দেড় বছর পর মধুপরে হাড়গুড় উদ্ধার

Print Friendly, PDF & Email

madhupur

এসএম সবুজ, মধুপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ- টাঙ্গাইলের মধুপুরের এক বাসা থেকে ভূয়াপুর থেকে অপহরণের দেড় বছর পর শিশুর হাড়গুড় উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ।

হতাভাগ্য ওই শিশুটির নাম মাসুদ রানা শয়ন (৮)। সে ভূয়াপুর উপজেলার রুহুলি গ্রামের মৃত রাইসুল ইসলাম সাগরের ছেলে। শয়ন উপজেলার মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

গত ৩০সেপ্টেম্বর’১৩ সালে অপহরনের দেড় বছর পর ওই মামলার গ্রেফতারকৃত আসামী জাহাঙ্গীর (শয়নের সৎ বাবা)’র তথ্যের ভিত্তিতে এই হারগুড় উদ্ধারের অভিযান চলে। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশের এসআই রাশেদুল হাসান’র নেতৃত্বে মধুপুর পৌর এলাকার টেংরি গোরস্থানপাড়ার সেনা সদস্য শাহ আলমের বাড়ি থেকে মাটি খুঁড়ে শয়নের হাড়গুড় উদ্ধার করা হয়।

এসআই রাশেদুল হাসান জানান, শয়নের বাবার মৃত্যুর পর তার মা মামলার আসামী ঘাটাইল উপজেলার রামপুরা গ্রামের জনৈক জাহাঙ্গীর (৩৮) কে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। স্ত্রীর আগের ঘরের সম্পদ প্রাপ্তির একমাত্র বাধা সরিয়ে ফেলার জন্য ওই পক্ষের শয়নকে অপহরণ করে। মোবাইল ফোনে তার নানার বাড়িতে ৫লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। শর্ত অনুযায়ী ২লক্ষ টাকা দেওয়ার পরও শয়নকে না পেয়ে তার নানী মাজেদা বেগম বাদি হয়ে ভূয়াপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৭/৮ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতদের আসামী করা হয়। মামলা নং ৩, তারিখ ৯-১০-২০১৩। মামলার ২মাস পর ডিবি পুলিশ মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে মুক্তিপণের ১লক্ষ ৪৮হাজার টাকা, মোবাইল ফোনসহ জাহাঙ্গীরকে আটক করে। পরে জাহাঙ্গীর জামিনে মুক্ত হয়ে পলাতক থাকে। অন্য একটি মামলায় পলাতক আসামী হিসেবে বুধবার (১৮মার্চ’১৫) সকালে ভূয়াপুর থেকে পুণরায় ডিবির কাছে আটক হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার স্ত্রীর প্রথম ঘরের সন্তান শয়নকে হত্যা এবং একসময় থাকা মধুপুরে ভাড়া বাসায় লাশ পুঁতে রাখার কথা স্বীকার করে। তার দেয়া তথ্যানুসারে ডিবি পুলিশ মধুপুরের ওই বাসা থেকে শয়নের হাড়গুড় উদ্ধার করে।

ফেসবুক মন্তব্য