ঘাটাইলে কৃষি জমি প্রস্তুত করতে নাড়া পোড়া উৎসব
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় শীত কমে যাওয়ার সাথে সাথে শুরু হয়ে গেছে কৃষি জমি প্রস্তুত। তাইতো রবি শস্য মৌসুম শেষ হওয়ার সাথে সাথে কৃষক প্রস্তুতি নিচ্ছে তার জমির উর্বর বৃদ্ধির জন্য নানামুখী উদ্যোগ। এই নানামুখী উদ্যোগের একটি অংশ হচ্ছে নাড়া পোঁড়া উৎসব। আর এরই ধানের নাড়া পোড়ানো একটি প্রচলিত চর্চা যা ফসল কাটার পর জমিতে পড়ে থাকা খড় বা নাড়ায় আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়, যা কিছু কৃষকের কাছে পটাশ ঘাটতি পূরণ ও পোকা দমনের উপায় হলেও, এটি পরিবেশ ও মাটির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হওয়ায় সরকার ও পরিবেশ বিদরা এর বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াচ্ছেন, অনেক জায়গায় এটি নিষিদ্ধও। এটি মূলত শীতকালে, দেখা যায় এবং এর ফলে ব্যাপক ধোঁয়া ও দূষণ হয়। নাড়া পোড়ানোর কারণ (কৃষকদের দৃষ্টিকোণ থেকে)পটাশ ঘাটতি পূরণ।
নাড়া পোড়ালে তা থেকে পটাশিয়াম মাটিতে মিশে যায় বলে কৃষকরা মনে করেন। ক্ষতিকর পোকা ও বালাই দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।দ্রুত জমি পরিষ্কার পরবর্তী ফসলের জন্য জমি দ্রুত প্রস্তুত করা যায় এবং সময় বাঁচে। নাড়া পোড়ানোর ক্ষতিকর প্রভাব:পরিবেশ দূষণ প্রচুর ধোঁয়া ও দূষণ সৃষ্টি হয়, যা জনস্বাস্থ্য ও আবহাওয়ার জন্য খারাপ।মাটির ক্ষতি জমির উপকারী ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক মরে যায়, মাটির উর্বরতা কমে যায়।সরকারি নিষেধাজ্ঞা পরিবেশ দূষণ রোধে সরকার এটি নিষিদ্ধ করেছে এবং সচেতনতা কর্মসূচি চালাচ্ছে।
বিকল্প ব্যবস্থা কৃষি বিভাগ নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে আধুনিক যন্ত্রওবিকল্প পদ্ধতির প্রচারে কাজ করছে, যেমন জমিতেই নাড়া মিশিয়ে দেওয়া বা স্ট্রবেল ম্যানেজমেন্ট করা।অংশ হিসেবে উপজেলা সর্বত্রই চলছে নাড়াপোড়া উৎসব।
নাড়া পোঁড়ানোর বিষয়ে কৃষ শাহাদৎ হোসেন জানান আমরা অনেক আগে থেকেই নাড়া পোঁড়াই কৃষি জমি উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। মাটি নরম থাকলে শক্ত হয়।
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান মুঠোফোন জানান নাড়া পোঁড়া উৎসব এটা প্রাচীন আমল থেকে চলে আসছে।থেকে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।যারা পরবর্তীতে ইউরিয়ার সার কম লাগে। যদি আমাদের সরকারী নাড়া পোড়াঁনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছ্ আমরা বরাবর নাড়া পোড়া নিরুৎসাহিত করছি।






আপনার মতামত লিখুন
Array