নাগরপুরে বন্ধু পুনর্মিলনী ও মরহুম শিক্ষক আফতাব উদ্দিন স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
নাগরপুরে বন্ধু পুনর্মিলনী ও মরহুম শিক্ষক আফতাব উদ্দিন স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সরকারি যদুনাথ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এসএসসি ১৯৯৪ ব্যাচের বন্ধু পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মরহুম আফতাব উদ্দিন স্যারের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার সকালে মরহুম শিক্ষক আফতাব উদ্দিন স্যারের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু। এ সময় তাঁর সহধর্মিণী মনোয়ারা মুকুলও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক খন্দকার ওয়াহিদ মুরাদ এবং খন্দকার নুরুল মোমেন কায়েস (কমল)। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আহসান উদ্দিন (অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, যদুনাথ পাইলট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ), বাবু চিত্তরঞ্জন চক্রবর্তী (অবসরপ্রাপ্ত সহকারী সিনিয়র শিক্ষক, যদুনাথ পাইলট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ), মোঃ শমসের আলী খান (অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক), মোঃ কিতাব আলী (প্রধান শিক্ষক, নাগরপুর শহীদ শামসুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়) এবং মোঃ আব্দুল জলিল (অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক, যদুনাথ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ)সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ শাহিনুর ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন মোঃ ফরহাদ হোসেন ডেভিড।
আলোচনা সভায় বক্তারা মরহুম শিক্ষক আফতাব উদ্দিন স্যারের শিক্ষাজীবন, আদর্শ ও অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
পরে একই দিন রোববার বিকাল ২টায় একই প্রাঙ্গণে শুরু হয় ‘বন্ধু পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান-২০২৬’। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যমুনা ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর একত্রিত হয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ, আড্ডা ও আনন্দঘন পরিবেশে সময় কাটান। বিকেলে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক পর্বে গান, আড্ডা ও নানা পরিবেশনায় পুরো প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।
আয়োজকরা জানান, প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিকে সম্মান জানানো এবং পুরোনো বন্ধুদের মাঝে বন্ধন দৃঢ় করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মিলনমেলা অব্যাহত থাকবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি amarsangbad.comওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। তথ্যের সঠিকতা ও মালিকানা বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে অনুগ্রহ করে মূল সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।