টাঙ্গাইলে ফরহাদ ইকবালসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা টাঙ্গাইল জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বহিষ্কৃত) সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবালকে প্রধান আসামি করে ২১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু নাসের আল আমিন পাপন বাদী হয়ে সদর থানায় মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন টাঙ্গাইল পৌর বিএনপির (বহিষ্কৃত) সভাপতি মেহেদী হাসান আলিম, লিও রাকিব হোসেন রানা, আবিদ হাসান ইমন, আনিস, ইমন, শুভ, শিশির, হোসেন, সোনাই বেপারী, সাধু, হৃদয়, সালাম, আবদুল্লাহ বেপারী, রোমান বেপারী, নাইম, আকাশ বেপারী, হেলাল বেপারী, সবুজ বেপারী, ইফাদ বেপারী এবং সুমন ওরফে দুলু।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর দোয়া মাহফিল উপলক্ষে গত ১৯ জানুয়ারি দুপুরে বাদী আবু নাসের আল আমিন পাপন, সাব্বির খান ও বিপ্লব আরেফিন খানসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা শান্তিকুঞ্জ মোড়ে গেলে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগে বলা হয়, ফরহাদ ইকবালের অনুসারীরা লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পান দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মনোনয়ন না পেয়ে ফরহাদ ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হরিণ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফরহাদ ইকবাল ৬৯ হাজার ৪০৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এর আগে ফরহাদ ইকবাল ও তার অনুসারী কয়েকজন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে ফরহাদ ইকবাল বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণে আক্রোশের বশবর্তী হয়ে তার ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, পাপন নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।








আপনার মতামত লিখুন
Array