মির্জাপুরে সাড়ে তিন কোটি টাকার পশুর হাট নিয়ে বিপাকে ইজারাদার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
মির্জাপুরে সাড়ে তিন কোটি টাকার পশুর হাট নিয়ে বিপাকে ইজারাদার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সাপ্তাহিক পশুর হাটকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা। নিয়ম না মেনে একই দিনে কাছাকাছি এলাকায় আরেকটি হাট বসানোর অভিযোগে বাড়ছে সংঘর্ষের আশঙ্কা।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ইজারাদার মাসুদুর রহমান।

জানা যায়, মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের কাইতলা গরু মহিষের হাটটি জেলার অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট হিসেবে পরিচিত। প্রতি শনিবার বসা এই হাটটির ইজারা মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে হাটটির ইজারা পান আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল গ্রামের মাসুদুর রহমান। এর আগের বছরও তিনিই ছিলেন ইজারাদার। অভিযোগ উঠেছে, কাইতলা হাট থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে সখীপুর উপজেলার দেউদিঘী বাজারে সোমবারের নির্ধারিত বাঁশের হাটের দিন পরিবর্তন করে শনিবার গরুর হাট বসানোর চেষ্টা চলছে একটি পক্ষের। দেওদিঘী বাঁশের হাটের ইজারা মূল্য ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। গত ১৮ এপ্রিল কাইতলা হাটে আসা গরুবাহী ট্রাক দেউদিঘী এলাকায় আটকের চেষ্টা করা হয়। এ সময় গরু ব্যবসায়ীদের মারধরের অভিযোগও উঠে। এতে করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীরা বলেন, জোর করে ট্রাক আটকে রাখার কারণে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

কাইতলা হাটের ইজারাদার মাসুদুর রহমান বলেন, একই দিনে কাছাকাছি আরেকটি হাট বসালে দুই হাটের সুনাম নষ্ট হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। তিনি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দেউদিঘী হাটের ইজারাদার শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই হাট বসানো হয়েছে। কোনো ট্রাক আটকে রাখা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কাইতলা হাট যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।