বিএনপির ঘাঁটিতে ভালো ফল

আ.লীগের এলাকায় জামায়াতের হার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
আ.লীগের এলাকায় জামায়াতের হার

খুলনা-২ আসন বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। গ্রহণযোগ্য কোনো নির্বাচনে এই আসনে হারেনি দলটি। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও এখানে জয়ী হয়েছিলেন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির জন্য পরিচিত বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তিনি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে হেরে গেছেন পাঁচ হাজার ৫৯৫ ভোটে।

তবে পাশের খুলনা-৩ আসনে আওয়ামী লীগ ছিল শক্তিশালী। সেখানে আট হাজার ৮৩৫ ভোটে হেরেছে জামায়াত। যদিও দলটির নিজস্ব জরিপে, এ আসনে জয় নিশ্চিত বলে ধরা হয়েছিল। বরং মঞ্জুর বিরুদ্ধে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ছিল না জামায়াত।

নির্বাচনের এক দিন পর গতকাল শুক্রবার দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একাধিক সদস্য সমকালকে বলেন, শুধু খুলনা-৩ নয়, আওয়ামী লীগ শক্তিশালী ছিল এমন আসনে জামায়াত ভালো ফল করতে পারেনি। বরং যেসব আসনে অতীতে বিএনপি শক্তিশালী ছিল, সেগুলোতে বিজয় এসেছে, নয়তো হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে।

আওয়ামী লীগের দুর্গখ্যাত গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি আসনের কোনোটিতে জামায়াত বা দলটির নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোটের প্রার্থীরা দ্বিতীয় স্থানেও আসতে পারেননি। একই অবস্থা আওয়ামী লীগের শক্ত অবস্থানে থাকা মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ জেলায়। কিন্তু বিএনপির ঘাঁটিখ্যাত বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালীর অধিকাংশ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থীরা প্রায় সমানে সমানে লড়াই করেছেন।

পশ্চিমাঞ্চলে জয়ী হলেও লক্ষ্য পূরণ হয়নি
জামায়াত জোট রংপুরের ৩৩ আসনের ১৮টিতে জয়ী হয়েছে। রাজশাহীর ৩৯ আসনের ১১, খুলনার ৩৬ আসনের ২৫টিতে জয়ী হয়েছে। এই তিন বিভাগ নিয়ে গঠিত দেশের পশ্চিমাঞ্চলের ১০৮টি আসনের ১০০টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এককভাবে ৫২ আসনে জয়ী হয়েছে।
অবশ্য দলটির নির্বাচন পরিচালনাকারী কমিটি বলছে, অন্তত ৮০ আসনে জয়ী হওয়ার লক্ষ্য ছিল।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের সমকালকে বলেছিলেন, পশ্চিমাঞ্চলের ৭৫টি আসনে জয়ী না হওয়ার কারণ নেই।
ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৮টি আসনের তিনটিতে, ঢাকার ৫৬ আসনের ৮টিতে এবং বরিশালের ২১ আসনের দুটিতে জয়ী হয়েছে জামায়াত। এই তিন বিভাগ নিয়ে গঠিত মধ্যাঞ্চলের ১১৫ আসনের ১৩টিতে জয় পেয়েছে দাঁড়িপাল্লা।

সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের ১১টিতে লড়ে একটিতেও জিততে পারেনি জামায়াত। চট্টগ্রামের ৫৮ আসনের ৪২টিতে লড়ে মাত্র তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াত। অর্থাৎ দেশের পূর্বাঞ্চলে ৭৭ আসনে জামায়াতের অর্জন তিন আসন।

পূর্বাঞ্চলে ভরাডুবি ‘নৌকার ভোটে’
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আবদুল হালিম সমকালকে বলেন, এই ফলাফল অপ্রত্যাশিত। অতীতে জামায়াত এই অঞ্চলে এর চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে।

জামায়াতের শক্ত অবস্থান রয়েছে কক্সবাজার জেলায়। এই জেলায় একটি আসনেও জিততে পারেনি। কক্সবাজার-২ আসনে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ হেরে গেছেন।
কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের ১ লাখ ৮১ হাজার ৪৬০ ভোটের বিপরীতে জামায়াতের শহিদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৪ ভোট। ব্যবধান ২৮ হাজার ৪৬৬।

কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপির শাহজাহান চৌধুরীর ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোটের বিপরীতে জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান ১ হাজার ৫৪৯।

চট্টগ্রাম জেলায় ১৬টি আসনে দুটি পেয়েছে জামায়াত। বাকিগুলোতে বড় ব্যবধানে হেরেছে। জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য বলেছেন, মহানগর ও উত্তর চট্টগ্রামে এতকাল ধরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দ্বৈরথ ছিল। বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩ আসনেই আওয়ামী লীগের ভোট গিয়েছে ধানের শীষে। তাই দাঁড়িপাল্লা জিততে পারেনি। জামায়াত জিতলে, আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে– বিএনপির এই প্রচারণায় ভয় থেকে নৌকার সমর্থকরা ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন।

বিএনপির ঘাঁটিতে লড়াই, নৌকার এলাকায় বড় হার
গোপালগঞ্জ-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী আবদুল হামিদ মোল্লা ৩৪ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়ে জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে বিএনপি ৬৯ হাজার ৪৬২, গণঅধিকার ৫৪ হাজার ৩২৯ এবং বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ২১ হাজার ২৭৬ ভোট পেয়েছেন।

বগুড়া-৩ আসনে বিএনপির আব্দুল মুহিত তালুকদারের এক লাখ ২৭ হাজার ৫০২ ভোটের বিপরীতে জামায়াতের নূর মোহাম্মাদ পেয়েছেন এক লাখ ১২ হাজার ২৬ ভোট। বিএনপির ঘাঁটি জয়পুরহাট-১ আসন। এখানে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে কখনও ধানের শীষ হারেনি। ২০০৮ সালেও জয় পায়। তবে এবার জামায়াত জিতেছে। দলটির প্রার্থী ফজলুর রহমান সাঈদ পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ রানা প্রধান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩৫ ভোট।

আওয়ামী লীগের ঘাঁটিখ্যাত হবিগঞ্জের চারটি আসনে বিশাল জয় পেয়েছে বিএনপি। একটিতেও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারেননি জামায়াত জোটের প্রার্থীরা। হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী এস এম ফয়সল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট। ইসলামিক ফ্রন্টের গিয়াস উদ্দিন তাহেরী পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট। জামায়াত জোটের খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের ২৬ হাজার ৪৫৩ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। হবিগঞ্জের আসনগুলোতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হিন্দু ভোটার রয়েছেন।

বিএনপির ঘাঁটিখ্যাত ফেনী-১ আসনে বিএনপির ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০৪ ভোটের বিপরীতে জামায়াত ৮৫ হাজার ৬১৫ ভোট পেয়েছে। ফেনী-৩ আসনে বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টুর মতো প্রভাবশালী প্রার্থীর ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোটের বিপরীতে জামায়াতের তরুণ নেতা ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট পেয়েছেন। ফেনীতে প্রদত্ত ভোটের ৪০ শতাংশ পেয়েছে দাঁড়িপাল্লা।
বিএনপির আরেক ঘাঁটি লক্ষ্মীপুরেও সমানে সমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। বারবার বিএনপির জেতা লক্ষ্মীপুর-২ আসনে জামায়াত ১৩ হাজার ভোটে হেরেছে। বিএনপির চারবারের এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়ার ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২১ ভোটের বিরুদ্ধে জামায়াতের রুহুল আমিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৮ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানীর ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২ ভোটের বিরুদ্ধে জামায়াতের রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮০২ ভোট। বিএনপির আরেক ঘাঁটি নোয়াখালীতেও লড়াই করে হেরেছে জামায়াত। নোয়াখালী-৬ আসনে জয়ী হয়েছেন এই দলটির জোটসঙ্গী এনসিপির আবদুল হান্নান মাসউদ।

আওয়ামী লীগের এলাকায় বিএনপির জয়
তবে আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত আসনে উল্টো ফল করেছে জামায়াত। ঠাকুরগাঁও-২ আসন ১৯৮৬ সাল থেকে টানা জিতেছে আওয়ামী লীগ। এই আসনে জামায়াত প্রার্থী আবদুল হাকিম আগের তিনবার দুই থেকে পাঁচ হাজার ভোটে হারেন আওয়ামী লীগের দবিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

আওয়ামী লীগ না থাকায় এবার জামায়াত ঠাকুরগাঁও-২ আসনে সহজ জয় পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু বিএনপির ডা. আব্দুস সালামের ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোটের বিপরীতে জামায়াতের হাকিম ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭টি ভোট পেয়েছেন। সাড়ে পাঁচ হাজারের কম ভোটের ব্যবধানে হেরেছে জামায়াত।

একই চিত্র দেখা গেছে দিনাজপুরে। রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের মধ্যে জামায়াত জোট ১৮টি আসন পেলেও বৃহত্তর দিনাজপুরের ১১টি আসনের একটিতেও জিততে পারেনি। ১৯৯১ এবং ২০০১ সালে দিনাজপুর-৬ আসনে জয়ী হয়েছিল জামায়াত। ২০০৮ সালে নৌকার বিরুদ্ধে ৮৫৮ ভোটে হেরে যায়। এই আসনে বরাবর মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের।
আওয়ামী লীগ না থাকায় এবার জয় ধরে নিয়েছিল জামায়াত। কিন্তু দিনাজপুর-৬ আসনে ১৫ হাজার ভোটে হেরেছে দলটি। বিএনপির ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের ২ লাখ ৫ হাজার ১১৮ ভোটের বিপরীতে জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৭০৩ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের মতো দিনাজপুর ৪ ও ৫ আসনেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছেন। এই দুই আসনে জামায়াত বড় ব্যবধানে হেরেছে। প্রয়াত খালেদা জিয়ার নিজ শহর দিনাজপুর-৩ আসনে টক্কর দিয়েছে জামায়াত। এই আসনে বিএনপির সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের ১ লাখ ৪০ হাজার ৬০৮ ভোটের বিপরীতে জামায়াতের মাইনুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৯ ভোট।

জাপার দুর্গ খালি, বিএনপির ঘরে হানা
১৯৯১ সালের নির্বাচনে রংপুরের ২২ আসনের ১৮টি, ১৯৯৬ সালে ২১টি এবং ২০০১ সালে ১৩টি আসন পেয়েছিল জাতীয় পার্টি। এবার দলটি একটি আসনেও দ্বিতীয় হতে পারেনি। লালমনিরহাট বাদে বাকি ১৯ আসনের ১৮টিতে জিতেছে জামায়াত জোট।

খুলনা বিভাগ বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। এবার এই বিভাগের ৩৬টি আসনের ২৫টিতে জয় পেয়েছে জামায়াত। তবে আগে জেতা খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার হেরে গেছেন।

গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট। ব্যবধান ২ হাজার ৬০৮ ভোট। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত খুলনা-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী করেছিল কৃষ্ণ নন্দীকে। এ আসনে বিএনপির আমির এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট। কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৫১ হাজার ৬।

বাগেরহাট-৩, খুলনা-৩, খুলনা-৪, নড়াইল-১, মাগুরা-১ ও ২, কুষ্টিয়া-১ আসনেও জিততে পারেনি জামায়াত। জেলার বাকি আসনগুলো পেলেও যশোর-৩ এবং ঝিনাইদহ-১ আসনে পরাজিত হয়েছে। জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনাকারী কমিটির একাধিক সদস্য সমকালকে বলেছেন, এই দুটিসহ খুলনার ১১ আসনে জামায়াত পরাজিত হয়েছে সংখ্যালঘু ভোট না পাওয়ায়।

ঢাকায় ভালো ফল, তবে–
নিজেদের ইতিহাসে এবারই প্রথম ঢাকা মহানগরে আসন জিতেছে জামায়াত। ১৫টি আসনের ছয়টিতে এখন দাঁড়িপাল্লার এমপি। ঢাকা-৭ এবং ঢাকা-১৭ আসনে সাড়ে পাঁচ হাজারেরও কম ভোটের ব্যবধানে হেরেছে জামায়াত। একই রকম ব্যবধানে ঢাকা-৮ এবং ঢাকা-১৩ আসনে জামায়াত জোট হেরেছে। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, প্রশাসনের কিছু পক্ষপাতের কারণে এই আসনগুলোতে তারা জিততে পারেনি।

অপ্রত্যাশিতভাবে গাজীপুর-৪ এবং ফরিদপুর-১ আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াত। প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৮ আসনের তিনটিতে জয়ী হয়েছে। জামায়াত নেতাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের ভোট ধানের শীষে যাওয়ায় ময়মনসিংহ-৪, ৭ ও ১০, শেরপুর-১, কিশোরগঞ্জ-১-এর মতো আসনে জিততে পারেনি জামায়াত জোট। ময়মনসিংহ-৪ আসনে জামায়াত ১ লাখ ৭২ হাজার পেয়ে ছয় ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, এত ভোট পেলেও সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকার কেন্দ্রগুলোতে জামায়াত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই ছিলেন না।